কাউকে ভালো না লাগলে এড়িয়ে চলেন : আঁখি আলমগীর

বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া মানুষের জীবনে অন্যতম অনুষঙ্গ! এসব মাধ্যম ব্যবহার করে ভালো কাজ যেমন করা যায়, তেমনি অ'পব্যবহারও কম হয় না। অনেকেই অন্যকে নিয়ে কু'রুচিকর মন্তব্য করা বা অন্যের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়েও বি'কৃত মানসিকতার পরিচয় দিয়ে থাকেন। ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ে নিয়ে ফেসবুকে যে সমালোচনার ঝড় বইছে তা এর অন্যতম উদাহ'রণ। এদিকে এমন মানসিকতার লোকদের উদ্দেশ্যে উপদেশ দিয়েছেন সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর।

এই সংগীতশিল্পী তার ফেসবুকে লিখেছেন—ফেসবুক আসলেই ফেসবুক। তাতে যতই কাব্য দেখান, গান দেখান, রং দেখান, হামবড়া ভাব দেখান, আপনার আসল পরিচয়, আসল ‘ফেস’ তখনই উন্মোচিত হয় যখন আপনি অন্যকে হেয় করেন। কিছু মানুষ অহরহ অন্যকে খোঁচা মে'রে, অ'পমান করে স্ট্যাটাস দিয়ে নিজের আসল স্ট্যাটাস দেখিয়ে দিচ্ছেন। সেটা বোঝার ক্ষমতাও হিং'সা আর নীচতায় ভরা চোখ, মন দেখতে পায় না।

পরাম'র্শ দিয়ে আঁখি আলমগীর লিখেছেন—আমি অনেক কাছের মানুষকে আনফ্রেন্ড/আনফলো করেছি। আমাকে নয়, শুধু অন্যকে নীচু করে বা হেয় করে আনন্দ পাবার অভ্যাসের কারনে। কাউকে ভালো না লাগলে তাকে এড়িয়ে চলেন বা তাকে মোকাবিলা করবেন, কোনোটার সাহস না থাকলে ইনিয়ে বিনিয়ে আকারে ইঙ্গিতে স্ট্যাটাস দিবেন না। এমনো হতে পারে যার জন্য লিখলেন সে বুঝেও নাই, তার হয়তো এত সময়ও নাই। খামোখাই আপনার ক্ষুদ্রতা মানুষ দেখলো। কথাগুলো আমা'র ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তাই আমিও আগে ভাবি, তারপর লিখি।

অন্যের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মা'থা না ঘামানোর বিষয়টি উল্লেখ করে আঁখি আলমগীর লিখেন, কে কাকে বিয়ে করল, কোথায় ভেগে গেল, কে কার কততম বউ/স্বামী, কার সাথে কার পর'কী'য়া—এসব বিষয় নিয়ে ভেবে মা'থা নষ্ট করবেন না। নিজের চরকায় তেল না থাকলে পরে কেউ বেল দিবে না।

Back to top button