সেলসম্যান থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক গোল্ডেন মনির

নব্বইয়ের দশকে কাপড়ের দোকানের সেলসম্যান হিসেবে চাকরি শুরু করেন মনিরুল হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনির। এরপর লাগেজ ব্যবসা, সোনা চো'রাচালান ও ভূমি দখলের মাধ্যমে বনে যান হাজার কোটি টাকার মালিক।
শনিবার অ'বৈধ অ'স্ত্র ও মা'দকসহ রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় নিজ বাড়ি থেকে গাড়ি ও সোনা ব্যবসায়ী গোল্ডেন মনিরকে গ্রে'ফতারের পর এ তথ্য জানিয়েছেন র‌্যা'­বের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ।

এদিন দুপুর ১২টায় ঘটনাস্থলে সংবাদ সম্মেলনে আশিক বিল্লাহ বলেন, সেলসম্যানের চাকরি ছেড়ে শুরু করেন ক্রোকারিজের ব্যবসা। এরপর লাগেজ ব্যবসা অর্থাৎ ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে মালামাল আনতেন। এক পর্যায়ে জড়িয়ে পড়েন সোনা চো'রাকারবারে সঙ্গে। এরপর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। অ'বৈধভাবে স্বর্ণ চো'রাচালান ও জালিয়াতির মাধ্যমে ভূমি দখল করে এখন তিনি হাজার কোটি টাকার মালিক।

তিনি বলেন, বিপুল পরিমাণ সোনা অ'বৈধপথে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন গোল্ডেন মনির। আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে তার সোনা চো'রাকারবারের রুট ছিল ঢাকা-সিঙ্গাপুর-ভা'রত। এ সবই তিনি ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে করেছেন।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, তিনি মূলত একজন হুন্ডি ব্যবসায়ী, সোনা চো'রাকারবারি এবং ভূমির দালাল। তার একটি অটোকার সিলেকশন শো-রুম আছে। পাশাপাশি রাজধানীর গাউছিয়ায় একটি সোনার দোকানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আম'রা তার বাসা থেকে অনুমোদনবিহীন বিলাসবহুল দুটি বিদেশি গাড়ি উ'দ্ধার করেছি। যার প্রত্যেকটি দাম প্রায় তিন কোটি টাকা। এর পাশাপাশি কার সিলেকশন শো-রুম থেকেও আম'রা তিনটি বিলাসবহুল অনুমোদনবিহীন গাড়ি উ'দ্ধার করেছি।

র‌্যা'­বের এ কর্মক'র্তা বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যা'­ব-৩ শুক্রবার রাত ১১টায় মেরুল বাড্ডা ডিআইটি প্রজেক্ট এলাকায় অবস্থান নেয়। অ'ভিযানে গোল্ডেন মনিরকে গ্রে'ফতারের পর তার হেফাজত থেকে একটি বিদেশি পি'স্তল, এক রাউন্ড গু'লি, বিদেশি ম'দ এবং প্রায় ৯ লাখ টাকার বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়। তার বাসা থেকে আট কেজি সোনা ও নগদ এক কোটি ৯ লাখ টাকা নগদ উ'দ্ধার করা হয়েছে।

Back to top button