মিলাদের মিষ্টি বিতরণ নিয়ে আ.লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ৪ জনকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখম

এবার নড়াইলে মিলাদের মিষ্টি নিয়ে সংঘর্ষে স্বেচ্ছাসেবকলীগের ৪ নেতাকর্মীকে কুপিয়ে জখম করেছে আ. লীগের আরেক পক্ষ। গতকাল
মঙ্গলবার ১৬ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার পর সদরের পুরাতন বাস টার্মিনালে জেলা আ. লীগ কার্যালয়ের সিঁড়িতে এ সংঘর্ষ বাধে। এ সময় সংঘর্ষে ৫নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম সজলকে (৩৮) ছুরি দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। এছাড়া স্বেচ্ছাসেবকলীগ কর্মী তৌহিদুর রহমান সাগর (৪০), মো. ফারুক হোসেন (৪০) ও নাহিদ হোসেন (৩৫) গুরুতর আহত হন। আহতরা সবাই নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আয়োজনে সন্ধ্যায় জেলা আ. লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরার স্বামী সিদ্দিকুর রহমানের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়। এজন্য মিলাদের আয়োজন করা হয়। মিলাদ শেষে তবারক নিয়ে জেলা আ.লীগের উপ-দফতর সম্পাদক বোরহান উদ্দিনের সঙ্গে ৫নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম সজলের কথা কাটাকাটি হয়। এবপর্যায়ে সেটি সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে রিয়াজুলকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়। এ সময় বাহিরে থাকা বোরহান উদ্দিনের লোকজন এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে আরও কয়েকজনকে আহত করে।

এ বিষয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি তারিকুল ইসলাম উজ্জ্বল বলেন, মিলাদ শেষে অফিসের সামনে চায়ের দোকানে বসেছিলাম। হঠাৎ করে দেখি অফিসের সামনে হট্টগোল। আমি দ্রুত এসে তাদের ঠেকানোর চেষ্টা করেছি। নড়াইলের পৌর মেয়র ও জেলা আ.লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আনজুমান আরা ৪ জন আহতের কথা স্বীকার করলেও তবারকের জন্য সংঘর্ষের বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং ঘটনায় কারা জড়িত তা বলতে রাজী হননি।

এদিকে নড়াইল সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মো. শামীমূর রহমান বলেন, আহতরা সবাই চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Back to top button