রাতে খাইরুনকে লাথি মেরে বাইরে যান মামুন, ঘোরাঘুরি করেন বিভিন্ন জায়গায়

নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানিয়েছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বামী মামুন তাদের দাম্প’ত্য কল’হের কথা স্বীকার করেছেন। মামুন জানান, ‘শনিবার রাত ২টায় দুজনের ঝগ’ড়া হলে তিনি খাইরুনকে লা’থি মে’রে বাইরে চলে যান’। এরপর শিক্ষক খাইরুন নাহার বেশ কয়েকবার ফোন করলেও মামুন ফোন রিসিভ করেননি। এতে ক্ষো’ভে খাইরুন নাহার আ’ত্মহ’ত্যা করেছেন বলে জানান মামুন।

সেদিন রাত ২টা থেকে ৬টা পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন স্থানে মামুনের ঘোরাঘুরির তথ্য পেয়েছে পুলিশ। তিনি বলেন, মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেছে তাদের দাম্প’ত্য জীবন সু’খের ছিল না। খাইরুন নাহারের কাছ থেকে টাকা নিয়ে মামুন নামেমাত্র ব্যবসা করতেন। এদিকে খাইরুন নাহার তার বড় ছেলে বৃন্তকে মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার জন্য দুই লাখ টাকা মামুনের সম্মতিতে দিতে চান। কিন্তু পরে মামুন আর ওই টাকা দেননি।

এ নিয়ে ঝগ’ড়ার এক পর্যায়ে মামুন রা’গ করে রাত ২টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে যান। বিষয়টি নিয়ে আরো তদ’ন্ত চলছে।এদিকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার রাতের বর্ণনা দিয়ে মামুন বলেন, ওকে আমি নি’ষেধ করছিলাম ওষুধ খাইও না এভাবেই ঘুমাইয়া যাও, ঘুমাতে না পারলে জেগে থাকো। ও আমাকে বলল, আমাকে রি’কোয়েস্ট কইরো না টেনশনের কারণে আমি দুইটা ঘু’মের ও’ষুধ খাবই। ও’ষুধ খেয়ে আমি ঘুমাই। তিনি আরও বলেন, ‘ও ও’ষুধ খেয়ে ঘুমানোর পর আমি নামাজের উদ্দেশে বের হয়েছি।

পরে হঠাৎ করে মনে হলো ও আমাকে সাতটার সময় যাওয়ার কথা বলছিল। ও যেহেতু ঘুমের ও’ষুধ খাইছে ও সাতটার সময় উঠতে পারবে না। তাই আমি রিং দেওয়ার ট্রাই করি। তাহলে ও যাওয়ার সময় আমার জন্য খাবার-দাবার রেডি করে যাবে। ও ওর অফিসে যাবে আমিও আমার কলেজে যাব। আমি বারবার কল দিচ্ছিলাম, কল ঢুকতেছিল কিন্তু রিসিভ করতে ছিল না। তখন একটু ভ’য় হলো আমার।’

মামুন আরও বলেন, ও (খায়রুন) সবসময় ডি’প্রেশনে থাকতো। আজ ৮ মাস ধরে বিয়ে করসি আমরা, আমি একটা দিনও এসে দেখলাম না যে ওর মুড ভালো। কিন্তু মুড খা’রাপের একটা দিনেরও কারণ আমি না। তার মুড খারা’প থাকতো কারণ তার আত্মীয়-স্বজন, কলিগরা ফোন দিয়ে বিভিন্ন কথা বলতো এসব কারণে। বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ কথা তাকে শুনতে হতো। সব পরিচিতরা যখন ব্রে’ন ট’র্চার করে তখন একজনের অবস্থা কি রকম হতে পারে সেটা তো সবাই বুঝে।’

Back to top button