মন্তব্য কখনও গন্তব্য ঠেকাতে না পারলেও ঠেকিয়ে দিল শিক্ষিকার বেঁচে থাকার স্বপ্ন!

নাটোরের গুরুদাসপুরের খুবজিপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপিকা খাইরুন নাহার ফেসবুকে ভালোবেসে বিয়ে করেন তার থেকে ১৮ বছরের ছোট কলেজ ছাত্র মামুনকে। বিয়ে পর সমাজের মানুষের সমালোচনার ভয়ে কয়েক মাস তাদের বিয়ের খবর গোপন রাখা হয়। কিন্তু মিডিয়ার তোরজোরে তাদের সেই অসম বিয়ের খবর আর গোপন থাকল না। শেষ পর্যন্ত গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় তাদের বিয়ের খবর। ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে। দেশবাসী জেনে যায় তাদের বিয়ে খবর।

অনেকে তাদের এই অসম বিয়েকে স্বাগত জানালেও কেউ কেউ কটু কথাও শুনিয়েছেন। তবে সে বিষয়ে কান দেননি স্বামী কলেজ ছাত্র মামুন। ১৮ বছরের বড় বয়সী নারীকে বিয়ের ব্যাপারে সে গণমাধ্যমকে বলেন, মন্তব্য কখনও গন্তব্য ঠেকাতে পারে না। তবে মন্তব্য গন্তব্য ঠেকাতে না পারলেও ঠেকিয়ে দিয়েছে শিক্ষিকার বেঁচে থাকার স্বপ্ন।

শনিবার (১৩) আগস্ট রাত তিনটার দিকে নাটোর শহরের বলারিপাড়া এলাকার ভাড়া বাসা থেকে ওই শিক্ষিকার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার আটক করা হয়েছে ২২ বছর বয়সী স্বামী মামুনকে। পুলিশের ধারণা শিক্ষিকার রহস্যজনক মৃত্যুর পেছনে সে দায়ী থাকতে পারে।

এদিকে বিয়ের ছয় থেকে সাত মাস পর গত মাসে গণমাধ্যমের মুখোমুখী হন তারা। সে সময় তারা জানান, তাদের দিন ভালো যাচ্ছে এবং তারা সুখে আছে।

সে সময় মামুন বলেন, আমাদের বিয়ে হওয়ার পর পরিবার থেকে শুরুতে মেনে নেয়নি। গত কয়েক মাস আগে দুই পরিবারের লোকজন মেনে নেয়। এখন আমরা ভালো আছি।

শিক্ষিকা জানান, ১১ মাস আগে আমাদের পরিচয়। এরপর আমরা বিয়ে করি। বিয়ের বয়সও ছয় থেকে সাত মাস হয়েছে।

Back to top button