নূরে আলমের জানাজায় কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

ভোলায় পুলিশের গুলিতে নিহত জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নূরে আলমের জানাজায় উপস্থিত হয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘পিতার কাঁধে সন্তানের লাশ এর চেয়ে কষ্টের আর কিছু নেই।’ এসময় কাঁদতে দেখা যায় বিএনপির এই শীর্ষপর্যায়ের নেতাকে।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামরে নুরে আলমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার দেশে একদলীয় শাসন পোক্ত করতে চাই। তার গত ১৫ বছর ধরে আমাদের ৬০০ নেতাকর্মীকে গুম করেছে। শুধু তাই নয় প্রায় ৩৫ লাখ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। তিনি বলেন, এখন আর ক্রন্দন নয়, আমাদের জেগে উঠতে হবে। আমাদের গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। গণতন্ত্রের মাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বিদেশ থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।

এদিকে ছাত্রদল সভাপতিকে গুলি করে হত্যা করার ঘটনায় সারাদেশে কর্মসূচীর ঘোষণা করেছে বিএনপি। এ তথ্য নিশ্চিত করে ফকরুল ইসলাম জানান, ৫ থেকে ৭ আগস্ট বিএনপি সারাদেশে শোক পালন করবে। দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। এছাড়াও ছাত্রদল ৬ আগস্ট, কৃষক দল ৭ আগস্ট, যুবদল ৮ আগস্ট, সবশেষে ১০ আগস্ট জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে ঢাকায় সমাবেশ করা হবে।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাগপার খন্দকার লুতফর রহমান, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, এলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, এনপিপির ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এলডিপির ড. রেদোয়ান আহমেদ, ন্যাপ ভাসানীর অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, এনডিপির আবু তাহের প্রমুখ। এছাড়াও জানাযায় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির সিনিয়র নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমির খসরু মাহমুদ, হাবিব উন নবী খান সোহেল, খাইরুল কবির খোকন, আমান উল্লাহ আমান।

এছাড়াও বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় সাড়ে সাত হাজার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Back to top button