অবশেষে ক্ষমা চাইলেন স্ত্রী-সন্তানদের ফেলে আসা সেই সোহেল

ময়মনসিংহের ত্রিশালের সোহেল মিয়া ও প্রতিবন্ধী রওশন দম্পতির অনবদ্য প্রেমের গল্প এখন দেশজুড়ে আলোচনায়। শারীরিক প্রতিবন্ধী স্ত্রীকে পিঠে নিয়ে ১৫ বছরের সংসারের সেই প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক গণমাধ্যমে সংবাদ হিসেবে প্রচারের পর তাদের খোঁজ নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আক্তারুজ্জামান তাদের বাড়িতেও গিয়েছিলেন। এবার ঘটনা ভিন্ন পথে মোর নিয়েছে।

আগের সংসারের কথা স্বীকার করেছেন ময়মনসিংহের ত্রিশালে শারীরিক প্রতিবন্ধী রওশনকে ভালোবেসে বিয়ে করা সেই সোহেল মিয়া। স্ত্রী ও চার সন্তান ফেলে বাড়ি থেকে চলে আসেন তিনি। একই সঙ্গে তার প্রকৃত নাম মোখলেছুর রহমান বকুল বলেও জানান তিনি।

শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মোবাইল ফোনে তিনি এসব কথা জানান। এর জন্য সবার কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন সোহেল।

জানা যায়, সোহেল মিয়ার আসল নাম মোখলেছুর রহমান (বকুল)। বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। আগের সংসারে স্ত্রী ছাড়াও তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

সোহেল মিয়ার আগের সংসারের বড় ছেলে মো. শিহাব উদ্দিন বলেন, ২০০৪ বা ২০০৫ সালের দিকে কাজের কথা বলে ঢাকায় গিয়ে মোখলেছুর রহমান নিখোঁজ হন। তাঁদের পক্ষে তাঁকে খুঁজে বের করার সামর্থ্য ছিল না। সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত খবর এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আলোচনায় আসা ছবি ও ভিডিও দেখে সোহেল মিয়াকে চিনতে পারেন।

সোহেল মিয়া দাবি করেছিলেন, তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স করেছেন। তবে শিহাব উদ্দিন জানান, সোহেল মিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেননি। তিনি অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন।

Back to top button