৩০ টাকার গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়

আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালবাসা দিবস। পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালবাসা দিবসকে বরণ করে নিতে ফুলের চাহিদা বেড়েছে কয়েকগুণ। করোনাভাইরাসের কারণে গত দুই বছর পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালবাসা দিবস উদযাপনে কিছুটা ভাটা পড়ে। ফলে কপাল পোড়ে ফুল ব্যবসায়ীদেরও। তবে এবার সংক্রমণ পরিস্থিতি কিছুটা নিম্নমুখী থাকায় ফুলের বাজার বেশ চড়া।

এর আগে গতকাল ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর থেকেই পাইকারি ও খুচরা বাজারে দেখা গেছে ক্রেতা-বিক্রেতার সরব উপস্থিতি। রাজধানীর বিভিন্ন ফুলের দোকানে জমজমাট কেনাবেচা। তবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় ফুলের দাম অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। বিক্রেতারা বলছেন, করোনার কারণে ফুলের উৎপাদন আগের মতো হয়নি। বিশেষ দিবসে ব্যাপক চাহিদার কারণে ফুলের সরবরাহ কম। ফলে দাম তুলনামূলক বেশি।

এদিন রাজধানীর শাহবাগে ফুলের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন এলাকা থেকে নানা বয়সী মানুষ ফুল কিনতে এসেছেন। তবে সেখানে তরুণ-তরুণী ভিড়ই বেশি। বাজারে জারবেরা, গ্লাডিওলাস, রজনীগন্ধা, গাঁদা, জুই, বেলিমালা, লিলি, ক্যালনডুলা, অর্কিড, জিপসি, কানডিশন, লিমু, চেরাগেন্ডা এবং ওয়েস্টারসহ নানা ধরনের ফুল থাকলেও গোলাপের চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। সকালের দিকে ৩০ টাকায় গোলাপ বিক্রি হলেও রাতে তা ১০০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। আজ সোমবার দাম আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

গতকাল রাত ৯টার দিকে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের বাসিন্দা বশির আহমেদ সহধর্মিনীর জন্য গোলাপ কিনতে শাহবাগে এসেছেন। স্ত্রীকে গোলাপের তোড়া উপহার দেবেন বলে চিন্তা করে এলেও শাহবাগে ফুলে দোকান ঘুরে ও দাম শুনে সেই পরিকল্পনা বাতিল করেছেন। তিনি বলেন, ‘একটি গোলাপ ১০০ টাকা দিয়ে কিনেছি। কেনার সময় বিক্রেতা বলেছেন, রাতে ১০০ টাকায় গোলাপ পাওয়া গেলেও এমন একটি তাজা গোলাপ আগামীকাল এমন দামে পাবেন না।’

এদিকে পুরান ঢাকার বাসিন্দা আবুল হাসনাত বলেন, মেয়ের জন্য গোলাপ কিনবো বলে এসেছিলাম। কিন্তু এত ছোট গোলাপের দাম ২৫০ টাকা। তাই না কিনেই ফিরে যাচ্ছি। আর কিছু টাকা যুক্ত করে বরং মেয়েকে পছন্দের খেলনা কিনে দেবো।’

Back to top button