এ রকম প্লাস বাজারে অনেক কিনতে পাওয়া যায়: মন্তব্য শিক্ষকের

আজ রবিবার ১৩ ফেব্রুয়ারি এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এ রকম প্লাস বাজারে অনেক কিনতে পাওয়া যায় এমনটিই মন্তব্য করেছেন রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার পৌর শহরের এয়াকুব আলী চৌধুরী বিদ্যাপীঠের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক ইসলাম।

এদিকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১,৮৯,১৬৯ জন এমন শিরোনামে প্রথম আলো পত্রিকার অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হলে ‘এ রকম প্লাস বাজারে অনেক পাওয়া যায় কিনতে’ এমনটিই মন্তব্য করেছেন ওই শিক্ষকের (রফিক ইসলাম) ফেসবুক আইডি থেকে। শিক্ষক রফিক ইসলামের এমন মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পাংশার বিভিন্ন মহলে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। অনেকে জানিয়েছেন ফেসবুকেও বিভিন্ন সময় তিনি ভুল লেখালেখি করেন।

এ বিষয়ে এয়াকুব আলী চৌধুরী বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক মো. মোতাহার হোসেন বলেন, রফিকুল ইসলাম নামে একজন সহকারী শিক্ষক রয়েছে। তিনি ইংরেজি বিষয়ে ক্লাস নেন। তিনি ফেসবুকে এমন মন্তব্য করেছে কিনা আমি জানি না। পরে ওই শিক্ষকের মুঠোফোন নম্বর তার ফেসবুক ওয়াল থেকে নিয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ প্রতিবেদকে জানান, বিগত ১০ বছরের রেকর্ডে পাংশা উপজেলায় সব কয়টি কলেজ মিলেও ১০ টি এ প্লাস তিনি দেখেননি।

তিনি আরও বলেন, এ বছর সেখানে প্রতি কলেজে ২০-২৫ টি এ প্লাস পেয়েছে। মূলত এস এসসি’র ফল পর্যালোচনা করে এরকম ফল প্রকাশ করায় শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন হয়নি বলেও জানান তিনি। এ বছর এরকম প্লাসের হার দেখে তিনি এমন কমেন্ট করেছেন। তবে শিক্ষক হিসেবে এমন মন্তব্যও সঠিক হয়নি বলে জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে পাংশা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ এ,বি,এম ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, বিগত ১০ বছরের ফলাফল নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন তা সঠিক নয়। এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ মুঠোফোনে জানান, একজন শিক্ষক হিসেবে তিনি এ মন্তব্য করতে পারেন না। এমন মন্তব্যে বর্তমান সরকার ও শিক্ষা ব্যবস্থার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Back to top button